ব্লগিং মানেই লেখালেখি করা। যারা লেখালেখি করতে পছন্দ করেন মূলত তাদের জন্য ব্লগিং হচ্ছে সবচেয়ে সেরা একটি প্ল্যাটফর্ম। এখানে আপনি আপনার পছন্দ মত লেখালেখি করে আপনার লেখাগুলো সারা বিশ্বের সকলের কাছে উপস্থাপন করতে পারবেন। 

আমরা অনেকেই অনলাইনে লেখালেখি করতে চাই। আবার আমরা চাই আমাদের লেখাগুলো যেন পৃথিবীর সকল মানুষই যেকোনো প্রান্তে বসে পড়তে পারে। এই ব্যাপারটি আমরা বেশিরভাগ ছাত্রজীবন অবস্থায় শুরু করতে চাই।  

মূলত ব্লগিং করে লেখালেখি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্লাটফর্ম রয়েছে। আর এই প্ল্যাটফর্ম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো- ব্লগার এবং ওয়াডপ্রেস। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষ এই দুইটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আসছেন। 

আজকের এই টপিকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব যে, শুরুতে ব্লগার দিয়ে ব্লগিং করার বিশেষ কিছু সুবিধা সমূহ সম্পর্কে। তাহলে দেরি না করে চলুন জেনে নেই ব্লগার সম্পর্কে বিস্তারিত।

ব্লগার দিয়ে ব্লগিং করার সুবিধা

ব্লগার দিয়ে ব্লগিং করার সুবিধা

মূলত ব্লগার হচ্ছে গুগলের একটি প্রোডাক্ট। এখানে আপনি নতুন অবস্থায় বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পাবেন। ব্লগার দিয়ে ব্লগিং করার বিভিন্ন ধরনের সুবিধা রয়েছে। আর এই সুবিধাগুলো নিচে একটি একটি করে উল্লেখ করা হলো।

ডোমেইন কিনতে হবে না

গুগলের প্রোডাক্ট ব্লগার দিয়ে ব্লগিং শুরু করলে নতুন অবস্থায় আপনাকে কোন প্রকার ডোমেইন কিনতে হবে না। অর্থাৎ আপনি অনলাইনে লেখালেখি করার জন্য আপনি আপনার জীবনের প্রথম ওয়েবসাইটটি Blogspot.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শুরু করতে পারবেন।

ব্লগার ছাড়া আপনি যদি ওয়াডপ্রেস প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই একটি .com , .net , .org , .in , .co ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের  ডোমেইন কিনে তারপর আপনাকে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। আবার এই ডোমেইনটি আপনাকে প্রতিবছর রিনিউ করতে হবে।

তাই বলা যায় যে ব্লগার দিয়ে ব্লগিং শুরু করলে ডোমেইন কেনার বা ডোমেইন রিনিউ করার কোন ঝামেলা নেই। গুগোল আপনাকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার সুবিধা দিচ্ছে। এটি হলো ব্লগারের সর্বপ্রথম সুবিধা।


হোস্টিং কেনার প্রয়োজন নেই

হোস্টিং হচ্ছে একটি সার্ভার যেখানে আপনি আপনার তথ্যগুলো সংরক্ষণ করে রাখবেন মূলত এই হোস্টিং বাৎসরিক চুক্তির মাধ্যমে কিনতে হয় এবং বছর শেষে রিনিউ করতে হয়। এটি মোটামুটি একটা ঝামেলার ব্যাপার।

গুগলের প্রডাক্ট ব্লগার ব্যবহার করে আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেন সেক্ষেত্রে আপনাকে কোন প্রকার হোস্টিং কিনতে হবে না। এই সার্ভিসটি গুগোল আমাদেরকে ফ্রিতে দিয়ে দিচ্ছে।

গুগলের একটি জিমেইল একাউন্টে 15 জিবি পর্যন্ত ফ্রি থাকে। এটি ব্যবহার করে মূলত হোস্টিং হয়ে যায়। তাই বলা যায় গুগোল এর প্রোডাক্ট ব্লগার ব্যবহার করে ব্লগিং করার দ্বিতীয় সুবিধাটি হচ্ছে কোন প্রকার হোস্টিং কেনার ঝামেলা নেই।


থিম কেনার প্রয়োজন নেই

ব্লগার দিয়ে ব্লগিং করার আরেকটি বড় সুবিধা হচ্ছে-এই প্ল্যাটফর্মটিতে গুগল আপনাকে অনেকগুলো ফ্রী থিম দিচ্ছে। যেগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে আকর্ষণীয় ডিজাইন দিতে পারবেন।

আপনি চাইলে ব্লগারের প্রিমিয়াম থিম কিনে ব্লগার এর মধ্যে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এখানে কোন প্রকার এইচটিএমএল,সিএসএস, জাভা স্ক্রিপ্ট ইত্যাদির কোন ঝামেলা নেই। 

উপরোক্ত সুবিধাগুলো ছাড়াও নতুন অবস্থায় নতুনদের জন্য ব্লগার ব্যবহারে আরো অনেক সুবিধা সমূহ রয়েছে। যার মধ্যে আমি মাত্র কয়েকটি উল্লেখ করেছি।

2 মন্তব্যসমূহ

ব্যাকলিংক পাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে ইরিলেভেন্ট লিংক শেয়ার করার চেষ্টা করবেন না । স্পামিং করা থেকে বিরত থাকুন । আপনার লিংকটি যুক্তিসঙ্গত না হলে সেটি অ্যাপ্রুভ করা হবে না ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ব্যাকলিংক পাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে ইরিলেভেন্ট লিংক শেয়ার করার চেষ্টা করবেন না । স্পামিং করা থেকে বিরত থাকুন । আপনার লিংকটি যুক্তিসঙ্গত না হলে সেটি অ্যাপ্রুভ করা হবে না ।

নবীনতর পূর্বতন