ভিডিও এডিটিং সম্পর্কে জানুন

আপনি কি ভিডিও এডিটিং করে আয় করার বিষয়টি সম্পর্কে জানেন? হয়তো অনেকের কাছেই এই বিষয়টি স্বপ্নের মতো লাগতে পারে। কিন্তু স্বপ্ন মনে হলেও এটা সত্যি যে, আপনি চাইলে এখন ঘরে বসে ভিডিও এডিটিং করার মাধ্যমে আয় করতে পারেন। হ্যাঁ, আপনি যা শুনেছেন একদম সত্যি শুনেছেন। 

ভিডিও এডিটিং

ভিডিও এডিটিং করে আয় করার জন্য আপনাকে প্রথমত ভিডিও এডিটিং কি? তা বুঝতে হবে। তাছাড়া আরো কিছু আনুসাঙ্গিক বিষয় নিয়ে ভালোভাবে জেনে নেওয়ার পাশাপাশি কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ফোকাস করতে হবে। 

ভিডিও এডিটিং কি? কিভাবে ভিডিও এডিটিং করে আয় করা যায়? ভিডিও এডিটিং কিভাবে শিখব? আয় করার জন্য কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে এবং কিভাবে কি করবেন এসব নিয়েই বিস্তারিত থাকছে এই আর্টিকেলে।

আরো পড়ুন:


ভিডিও এডিটিং কি? (What is Video Editing?)

ভিডিও এডিটিং হলো ভিডিও ফুটেজ বা সিনেমা তৈরির জন্য ভিডিও ক্লিপ, মিউজিক ভিডিও, চিত্র এবং শব্দগুলো একসাথে যুক্ত করার প্রক্রিয়া যা সঠিকভাবে অনুভূতিতে প্রকাশ করতে সক্ষম। অর্থাৎ কোন একটি ভিডিও ফাইলকে আকর্ষণীয় করে তোলা। 

আগেকার যুগে যখন এনালগ পদ্ধতিতে ভিডিও ধারন করা হতো তখন থেকেই ভিডিও এডিটিং এর কার্যক্রম হয়ে আসছে। তখন অবশ্য ফিল্ম রিলগুলো যুক্ত করা, কাটা, ফ্রেম মোছা ও যুক্ত করার মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। আজকাল, এটি সাধারণত অভিনব ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার দিয়ে করা হয় এবং এখন এডিটিংগুলো হয় আগের থেকে আরো অনেক উন্নত এবং আকর্ষনীয়।

ভিডিও এডিটিং কেন জরুরী?

ভিডিও এডিটিং এর গুরুত্বপূর্ণ অপরিসীম। কেননা এটি চিত্র এবং শব্দের সংমিশ্রনের মূল চাবিকাঠি, যা আমাদের ইমোশনালি কানেক্টে করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ভিডিও এডিটিং করে আয়

কোন একটি সিনেমা বা মুভি অথবা নাটকে পরিচালক যে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছেন তা দর্শকের কাছে সঠিকভাবে পৌছানোর জন্য ভিডিও এডিটিং তথা ভিডিও এডিটর দায়বদ্ধ। আমাদের মধ্যে যারা নানান ধরনের মুভি বা নাটক দেখে থাকি তখন আমরা বুঝতে পারি যে, কোন একটি গল্পকে আকর্ষণীয় ও রুচিশীলভাবে প্রকাশ করার জন্য ভিডিও এডিটিং কতটা জরুরী।

দৃশ্যটি দুঃখের, তাই সম্পাদক কিছু কষ্টের সংগীত যোগ করে ভিডিওকে বাস্তব করে তুলতে পারেন। পরিচালকের বার্তা সফলভাবে পৌঁছেছে তা নিশ্চিত করাই একজন ভিডিও এডিটরে প্রধান কাজ।

অনেকেই রয়েছেন যারা ভিডিও এডিটিংকে নিজের শখ হিসেবে দেখেন। আবার অনেকেই রয়েছেন যারা নিজের পার্ট টাইম অথবা ফুল টাইম পেশা হিসেবে এটিকে নিয়েছেন বা নিতে চান। আপনিও যদি সেই শখের বসে ভিডিও এডিট করে থাকেন তবে, তা কাজে লাগিয়ে কিছু টাকা ইনকাম করার কথা ভাবতে পারেন।

তবে ভিডিও এডিটিং করে ইনকাম করার জন্য আপনাকে অবশ্যই মোটামুটি ভালো পরিমাণ ইডিটিং জানতে হবে। এডিটিং এর মানের উপরে নির্ভর করবে আপনি দিনে বা মাসে কত টাকা আয় করবেন। আপনার এডিটিং যত বেশি ভাল হবে আপনার ইনকাম সেলারি তত বেশি হবে। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো আমরা যারা নতুন তারা কিভাবে ভিডিও এডিটিং শিখতে পারি?

ভিডিও এডিটিং শেখার উপায়

বর্তমানে যেকোনো বিষয় সম্পর্কে ধারনা পাওয়ার জন্য সার্চ ইঞ্জিন অর্থাৎ গুগল এবং অন্যদিকে ইউটিউব হচ্ছে সেরা প্ল্যাটফর্ম। গুগলে সার্চ করলে যেকোনো জিনিস আমরা সহজেই পেয়ে যায় আর অন্যদিকে ইউটিউবে যেকোনো টিউটোরিয়াল অনেক সহজে আমরা পেতে পারি।

ভিডিও এডিট শিখুন গুগল মামা এবং ইউটিউব মামাকে কাজে লাগিয়ে। এখানে ভিডিও এডিটিং নিয়ে অসংখ্য ফ্রি টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন। এছাড়াও অসংখ্য অনলাইন কোর্স করার সাইট এ ফ্রি ও পেইড কোর্স রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি কিছু টাকা খরচ করে ভিডিও এডিটিং পুরোপুরি ভাবে শিখে নিতে পারবেন। তবে আমাদের দেশের বেশিরভাগ কোম্পানির শেখানোর ক্ষেত্রে অনেক বেশি ব্যবহার করে থাকে। তাই আমার ব্যক্তিগত মতে, আপনার মধ্যে যদি রিসার্চ করার ক্ষমতা থাকে তাহলে আপনি এটা খুব সহজে শিখতে পারবেন। 

প্রফেশনাল মানের একজন ভিডিও এডিটর হওয়ার সবচেয়ে প্রধান উপায় হচ্ছে- প্রাকটিস। নিশ্চয়ই শুনেছেন, Practice Make A Man Perfect. যেকোনো জিনিস শিখতে এবং দক্ষতা অর্জন করতে হলে প্রাকটিস এর কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত চর্চা করলে যে কোন কঠিন অসাধ্যকে সাধন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে আপনি অতি দ্রুতই ভিডিও এডিট করা শিখে ফেলতে পারবেন।

ভিডিও এডিট করার সফটওয়্যার

বর্তমানে ভিডিও এডিট করার অনেক জনপ্রিয় সফটওয়্যার আছে। আবার দিন দিন নানা ধরনের নতুন নতুন ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার তৈরি হচ্ছে। তবে সবাই সবকিছুতে স্বাচ্ছ্যন্দবোধ করবে এমন কোনো কথা নেই। তাই আমরা চেষ্টা করেছি বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে ভাগ করে সেরা কিছু Video Editor  টুলস লিস্ট করার।

এখানে আমরা আপনাদের জন্য মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার জন্য সফটওয়্যার এবং কম্পিউটারে ভিডিও এডিটিং করার জন্য যতসব সফটওয়্যার রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম এবং উল্লেখযোগ্য সফটওয়্যার গুলো শেয়ার করার চেষ্টা করেছি। 

ইউটিউবার বা ইউটিউব ভিডিও এডিট করার সেরা সফটওয়্যার কোনগুলো?

  • Adobe Premiere Pro 
  • Adobe After Effects 
  • Lightworks 
  • Final Cut Pro X 
  • Freemake 
  • Shotcut 
  • iMovie 

নতুনদের জন্য সেরা ভিডিও এডিট করার সফটওয়্যার লিস্ট:

  • Movavi Video Editor Plus 
  • Apple iMovie
  •  Lumen5HitFilm 4 Express 
  • Pinnacle Studio 
  • Blender 
  • Nero Video

ম্যাকবুকের জন্য সেরা ফ্রি ভিডিও এডিট করার সফটওয়্যার :

  • iMovie 
  • Lightworks 
  • OpenShot 
  • Video Editor 
  • DaVinci Resolve 
  • MovieMator


ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার for PC :

  • HitFilm Express 
  • Shotcut 
  • Lightworks 
  • Movie Maker 10 
  • Openshot

ওয়াটার মার্ক বা ক্রেডিটবিহীন সেরা ফ্রি ভিডিও এডিট করার সফটওয়্যার :

  • OpenShot 
  • Lightworks 
  • VSDC 
  • Shotcut 
  • DaVinci Resolve

ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার for Android

অনেকের মাথায় নিশ্চই প্রশ্ন আসবে যে, সবকিছুর কথাই বললেন কিন্তু মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার সফটওয়্যার এর কথা তো বললেন না! আমাদের হাতে থাকা মোবাইল ফোনটির সাহায্যে কি আমরা ভালো এডিটিং করতে পারি? 

এই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ, বর্তমানে অসংখ্য ভালো এডিটিং অ্যাপ রয়েছে যার সাহায্যে প্রোফেশনাল ভাবে ভিডিও এডিটিং করা সম্ভব।

এমন কয়েকটি অ্যাপ্লিকেশন হলো-

  • Kine Master, 
  • Power Director, 
  • Inshot, ইত্যাদি
এই অ্যাপগুলো ব্যাবহার করে আপনি ভিডিও এডিটিং শিখতে পারেন এবং করতেও পারেন। আর অ্যাপগুলো একদমই ফ্রিতে ব্যাবহার করতে পারেন।

ফ্রী নাকি পেইড সফটওয়্যার, কোনটি দিয়ে এডিট করবেন?

এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা জানতে পারলাম যে ভিডিও এডিটিং কি এবং কিভাবে ভিডিও এডিটিং করে আয় করতে হবে ইত্যাদি। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো ফ্রীতে যে ভিডিও এডিটিং অ্যাপ গুলো রয়েছে সেগুলোর মাধ্যমে এডিট করা ভালো হবে নাকি পেইড এডিটর দ্বারা ভিডিও এডিট করলে সেটি ভালো হবে।

এক্ষেত্রে পেইড ভিডিও এডিটর অ্যাপগুলো একটু এগিয়ে থাকবে। কিন্তু তার মানে এইটা না যে ফ্রীতে যে অ্যাপগুলোর মাধ্যমে ভিডিও এডিট করা যায়, সেগুলো ভালো নয়। অবশ্যই সেগুলো ভালো, কিন্তু তফাৎ একটাই, ফ্রী ভিডিও এডিটর অ্যাপগুলোর থেকে প্রিমিয়াম অ্যাপগুলোতে অনেক বেশি এবং আকর্ষনীয় ফিচার পাওয়া যায়, যা প্রফেশনাল Video Edit করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ভিডিও এডিট করে আয় করা যায় কিভাবে?

এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা জানলাম যে ভিডিও এডিটিং কি এবং কিভাবে আমরা এডিটিং শিখে নিতে পারি। তবে চলুন এখন জেনে নেই কিভাবে এডিটিং করার মাধ্যমে আমরা আয় করতে পারি। কয়েকটি উপায়ে আমরা এডিটিং এর মাধ্যমে আয় করতে পারি। যেমন:

ব্লগের মাধ্যমে আয়

ধরে নিলাম আপনি ভিডিও এডিটিং শিখে গেছেন, এখন আয় করার কথা ভাবছেন। ভিডিও এডিটিং শেখার পর আপনার জন্য নানান রকম আয় করার পথ রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো ব্লগ লিখে আয়। 

আপনি ভিডিও এডিটিং কিভাবে শিখেছিলেন? ভিডিও এডিটিং কিভাবে শিখতে হয়, অথবা ভিডিও এডিটিং সম্পর্কে বিস্তারিত গাইড লাইন লিখে আপনার নিজস্ব একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটে আর্টিকেল আকারে প্রকাশ করতে পারেন। আর এই সম্পূর্ণ ব্যাপারটিকে বলা হয় ব্লগিং।

ব্লগ কি, কিভাবে ব্লগিং করে আয় করা যায় এসম্পর্কিত এ টু জেড বিস্তারিত আমাদের সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স আকারে আপনাদের সাথে ভিডিও সহকারে তুলে ধরেছি। তার জন্য ব্লগিং করে আয় পর্ব 1 এখানে ক্লিক করে আজই শুরু করে দিন। 


1. সোশ্যাল মিডিয়া ক্লায়েন্ট

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক গুলোতে প্রচুর মানুষ সক্রিয় থাকে প্রতিনিয়ত। অসংখ্য সোশ্যাল মিডিয়া রয়েছে যেমন: ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, ইত্যাদি। এদের মধ্যে ফেসবুক অন্যতম। তাই ফেসবুককে কাজে লাগিয়ে মূলত আমরা ক্লায়েন্ট খুঁজবো। ক্লায়েন্ট বলতে মূলত তাকেই বুঝানো হয়েছে বুঝানো হয়েছে আপনি যার ভিডিও এডিট করার মাধ্যমে আয় করবেন। এভাবে আয় করা অনেকটা ডিজিটাল মার্কেটিং করে আয় করার মধ্যেও পড়ে যায়

ক্লায়েন্ট খোঁজার প্রথমে আপনাকে একটি কার্ড বানিয়ে নিতে হবে। কার্ড মানে হচ্ছে আপনার একটি ছবি থাকবে এবং সেখানে আপনার কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত বলা থাকবে, যেটিকে সহজ ভাষায় কার্ড বলা হয়েছে। এটির মাধ্যমে ক্লায়েন্ট এর কাছে প্রতিদ্বন্দীদের থেকে এগিয়ে রাখতে পারবেন।

এখন আপনি ভিডিও এডিটিং বিষয়ে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত হন সাথে আপনার কাজ সম্পর্কে পোস্ট করুন। তাছাড়া নিজের একটি ফেসবুক পেজ বানিয়েও প্রচারণা চালাতে পারেন। যেখানে আপনার কাজের স্যাম্পল পোস্ট করতে পারেন, যা ক্লায়েন্ট এর আস্থা অর্জন করতে ব্যাপক কার্যকরী।

এইভাবে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সহজে ক্লায়েন্ট পেয়ে ,তাদের ভিডিও এডিট করে আয় করতে পারেন। তবে একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন, সেটি হলো অবশ্যই প্রথম প্রথম বেশি টাকা চার্জ করবেন না, সেইরকম হলে ক্লায়েন্ট বিরক্ত হয়ে যেতে পারে সাথে আপনিও একটি ক্লায়েন্ট হারাতে পারেন। প্রথমে স্বল্প মূল্যে কিছু ভালো কাজ করে নিজের প্রোফাইল ভ্যালু বাড়িয়ে নিন, তারপর ডিমান্ড বাড়ার সাথে সাথে চার্জ বেশি করবেন।


2. অনলাইন মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে আয় 

নিশ্চয়ই আপনারা অনলাইন একটা বা দুইটা হলেও অনলাইন মার্কেটপ্লেসের নাম শুনেছেন। যে মার্কেটপ্লেসগুলোর ব্যবহার করে অনলাইনের মাধ্যমে কাজ আদান-প্রদান করা যায়। অর্থাৎ অনেকটা চাকরির মত। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোর মধ্যে নতুনদের জন্য অন্যতম হলো ফাইভার। এটি একটি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট। যেখানে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সার রয়েছে।

এখানে আপনি একজন ভিডিও এডিটর হিসেবে যুক্ত হয়ে আয় করতে পারেন। ফাইবারে কাজ করার জন্য প্রথমত আপনার একটি অ্যাকাউন্ট বানিয়ে নিতে হবে এরপর আপনাকে ক্লায়েন্ট পেতে হবে। ক্লায়েন্ট পাওয়ার জন্য প্রথমত আপনাকে কম দামে প্রোফাইল সাজিয়ে নিতে হবে। মানে আপনাকে কম টাকার বিনিময়ে কাজ করতে হবে। কারণ শুরুতে যখন আপনি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যোগ দিবেন তখন কাজ পেতে আপনার একটু হলেও কষ্ট হতে পারে।

এখানে আপনি একটি ভিডিও এডিট করার জন্য সর্বনিম্ন 5 ডলার থেকে 100 ডলার পযর্ন্ত আয় করতে পারেন। কাজ ভালো দিলে এসব ক্লায়েন্ট আপনার জন্য পার্মানেন্ট হয়ে যাবে। তাই সবসময় নিজের কাজের উপর জোর দিন। এতে আপনার প্রোফাইল রেটিং অনেক ভালো হতে থাকবে, যা পরবর্তীতে চার্জ বেশি করতে সহায়ক হবে।

একবার যদি আপনি এখানে নিজের ভালো একটি প্রোফাইল তৈরি করতে ফেলতে পারেন, তবে এডিটিং এর কাজ আপনি একসময় প্রচুর পরিমাণে অর্থ এখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন।


3. ইউটিউব এর সাহায্যে

ইডিটিং শেখার পর নিজে নানান ধরনের ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড করে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে পারেন। তাছাড়া বর্তমানে বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে অসংখ্য কনটেন্ট ক্রিয়েটর রয়েছে যারা বিভিন্ন ভিডিও এডিটর দের অনুসন্ধান করে থাকে। আপনি মূলত এমন কয়েকটি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের চ্যানেল এর ডেসক্রিপশন চেক করুন, যেখানে আপনি বিজনেস এর জন্য একটি মেইল দেখতে পাবেন।

আপনার কাজ হলো সেটিকে কপি করা এবং প্রফেশনাল ভাবে একটি মেইল করে তাদের জানানো যে আপনি একজন প্রোফেশনাল কনটেন্ট এডিটর। যদি আপনার মেইল এর সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে সর্বোচ্চ ২-৩দিনের মধ্যে আপনি রিপ্লাই পেয়ে যেতে পারেন। এইভাবে আপনি বিভিন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মেইল করার মাধ্যমে কাজ খুঁজে পেতে সক্ষম হবেন।

এছাড়া, বাংলাদেশী আয় করার ওয়েবসাইট গুলোর মাঝে কিছু ফ্রিল্যান্সিং সাইট রয়েছে, যেখানে তুলনামূলক সহজে কাজ পেতে পারেন, এবং পেমেন্ট সিস্টেমও সুবিধাজনক।


শেষ কথা

আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ার মাধ্যমে ভিডিও এডিটিং সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে এবং বুঝতে পারলাম। আশা করি, আজকের টপিকটি পড়ে সবাই একটু হলেও উপকৃত হয়েছেন। 

আজকের টপিক সম্পর্কে যদি আপনার কোন মতামত বা প্রশ্ন থাকে, তাহলে আপনার মতামতটি নিচের কমেন্ট বক্সে আমাদেরকে জানাতে পারেন। আপনাদের মতামত সবসময়ই আমাদের কাছে অতি মূল্যবান। ধন্যবাদ 

Post a Comment

ব্যাকলিংক পাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে ইরিলেভেন্ট লিংক শেয়ার করার চেষ্টা করবেন না । স্পামিং করা থেকে বিরত থাকুন । আপনার লিংকটি যুক্তিসঙ্গত না হলে সেটি অ্যাপ্রুভ করা হবে না ।

নবীনতর পূর্বতন